ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চট্টগ্রামের আজাদের ইন্তেকাল

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হাটহাজারীর আবুল কালাম আজাদ (৪৭) মারা গেছেন। বুধবার রাত ৯টায় সুয়েক জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে ছাহাম যাওয়ার পথে সুয়েক নামক এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ আহত হন। নিহত আবুল কালাম আজাদ হাটহাজারী উপজেলার ১৫ নম্বর বুড়িশ্চর ইউনিয়নের হানিফ ফকির বাড়ি মৃত জেবল হোসাইনের ছেলে।

আওয়ামী লীগ ওমান কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার জানান, ভাগ্য উন্নয়নের তাগিদে দীর্ঘদিন আগে মরুর দেশ ওমানে পাড়ি জমান আজাদ। সেখানে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। পরে পরিবার-পরিজনকে নিয়ে যান ওমানে। তিনি দুই পুত্রসন্তান আরিফ আজাদ ও আকাশ আজাদ এবং স্ত্রী রাশেদা বেগম রাসুকে নিয়ে ছাহাম নামক স্থানে বসবাস করতেন।

তিনি জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজ সেরে গাড়ি নিয়ে ওমানের রাজধানী মাস্কাট থেকে ছাহাম যাওয়ার পথে সুয়েক নামক এলাকায় স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন। এরপর তাকে সুয়েক জেনারেল হসপিটালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। ১০ দিন পর সেখানে তিনি মারা যান।

আবুল কালাম আজাদ হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য বুড়িশ্চর ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও নজুমিয়া হাট ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম এর ভাগনি জামাতা।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোবাইল ফোনে জানান, ওমানে সে নিজের ব্যবসার পাশাপাশি দেশের ভালোবাসার টানে সামাজিক রাজনীতি নিয়ে সদা সরব ছিলেন। সে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ওমান কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ইসকুল মাসকাট জালান শাখার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ওমান জালান শাখার নেতা ছিলেন। আগামী এক সপ্তাহের তার লাশ গ্রামের বাড়িতে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।