রাজধানীতে নতুন করে দুই লাখ রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে। সড়ক থেকে তুলে নেওয়া হবে অনিবন্ধিত রিকশা। যদিও এখন পর্যন্ত নিবন্ধিত রিকশার নেই ডাটাবেজ। তবে, ২৮ হাজার নিবন্ধন নিয়ে সড়কে চলছে প্রায় ১০ লাখ রিকশা। নতুন করে কিউআর কোড যুক্ত করে নিবন্ধন দিয়ে সড়কে চলবে অভিযান। অন্যদিকে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে চালানো হবে সমন্বিত অভিযান।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভবনে মেয়র আতিকুল ইসলাম আজ বুধবার এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট হাট’ শীর্ষক এই অভিজ্ঞতা অর্জন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিএনসিসি।
অনুষ্ঠানে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা শহরে ২৮ হাজার রিকশার নিবন্ধন রয়েছে। অথচ, চলছে ১০ লাখের বেশি।’
আতিক বলেন, ‘রাজধানীতে এই ১০ লাখ রিকশা কীভাবে এলো, তার কোনো ডাটাবেজ এবং শৃঙ্খলা নেই। ঢাকায় সব রিকশাকে একটা সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসব। এ জন্য কিউআর কোডযুক্ত করে রিকশার নিবন্ধন দেব। এতে করে কিউআর স্ক্যান করলেই বোঝা যাবে এই রিকশা কোথাকার, মালিক কে, গ্যারেজ কোথায়? অর্থাৎ, যাবতীয় তথ্য এই কিউআর কোডের মাধ্যমে জানা যাবে।’
মেয়র বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ডিএনসিসি গড়ে ৫০ শতাংশ সড়ক বাতি নির্দিষ্ট সময়ের পর বন্ধ রাখছে। অফিসগুলোতেও অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু, ব্যাটারিচালিত রিকশা সেই বিদ্যুৎ অপচয় করছে। তারা বিদ্যুতের বিল দিচ্ছে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালাব।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর খোরশেদ আলম, শাহ জিয়াউল হকসহ ডিএনসিসির কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ নূরুল আমিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: চরফ্যাশন ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (সিআইআইটি) রতন প্লাজার তৃতীয় তলা, সদর রোড, চরফ্যাশন, ভোলা।
ঢাকা অফিস: রায়পুরা হাউস (২য় তলা), ৫/এ, আউটার সার্কুলার রোড, পশ্চিম মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭ / যোগাযোগ : ০১৭১৬-২৩৭১০৮, ০১৭৬২-৪৪৭২২৮, ইমেইল : chattalanews@gmail.com