রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেছেন, ১৯৯৮ সালে নির্মিত যমুনা বহুমুখী সেতুটি রেললাইনের জন্য নির্মিত না হলেও একটি রেলসেতু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে আরেকটি রেলসেতুর দরকার হওয়ায় আমাদের বন্ধু জাইকার অর্থায়নে সেটি নির্মাণ করা হলো এবং আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুপুর পৌনে ১টার দিকে যমুনা রেলওয়ে সেতু পশ্চিমের সয়দাবাদ রেলওয়ে স্টেশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সচিব বলেন, আগে যমুনা সেতুর রেললাইন দিয়ে পণ্যবাহী ভারী ট্রেন চলাচল করতে পারতো না। কিন্তু এখন এই রেলসেতু দিয়ে তা করতে পারবে। তাই নিয়মানুযায়ী ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধি পাবে।
বর্তমানে ট্রেনে চলাচল করা যাত্রীদের সেবার বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে যমুনা রেলসেতুতে এখন পর্যন্ত কোনো দুর্নীতির তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
এর আগে রেলওয়ে সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক ইতো তেরুয়ুকিসহ রেল বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ ছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ নূরুল আমিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: চরফ্যাশন ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (সিআইআইটি) রতন প্লাজার তৃতীয় তলা, সদর রোড, চরফ্যাশন, ভোলা।
ঢাকা অফিস: রায়পুরা হাউস (২য় তলা), ৫/এ, আউটার সার্কুলার রোড, পশ্চিম মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭ / যোগাযোগ : ০১৭১৬-২৩৭১০৮, ০১৭৬২-৪৪৭২২৮, ইমেইল : chattalanews@gmail.com