সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, যেহেতু ডাকসু নির্বাচন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে না। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত আছে। তাই এই নির্বাচন আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে অনেক গুরুত্ব বহন করে। এখন রাজনীতি হয়ে গেছে নগ্নভাবে ক্ষমতাকেন্দ্রিক। ডাকসু যেহেতু ছাত্রদের অধিকারের কথা বলবে। তাদের নির্বাচিত হতে হলে, ভোটের জন্য তাদের ছাত্রদের কাছে যাবে। তাদের মতামত নেবে, একটা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার হবে। কিন্তু বিষয়টা হয়ে গেলো অন্যরকম, এখানে নীতিনৈতিকতা একদম নেই বললেই চলে। এখানে নির্বাচনকে অসম্মান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নীতি নৈতিকতাকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে। এটা কেনোভাবে কাম্য নয়। এখানে জনেগনের মতামতের কোনো মূল্য নেই। যে যেভাবে পারছে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যেকেনো পন্থায় অবলম্বন করছে। ডাকসু নির্বাচনে তাই করা হলো।
তিনি বলেন, নির্বাচন এখন নির্বাচন নেই, এটা হয়ে গেছে ক্ষমতায় যাওয়ার একটা রাস্তা। সবাই এখন সেই পথ ধরে যেনোতোনো ভাবো ক্ষমতায় যেতে চাচ্ছে। তাতে নীতিনৈতিকতা যদি নষ্ট হয় তাতে কী। ক্ষমতায় যেতে পারলেই হলো, আমাদের রাজনীতি এখন কলুষিত। ডাকসুতে যার প্রভাব দেখলাম। সূত্র: ভোয়া
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাম্মদ নূরুল আমিন, সম্পাদকীয় কার্যালয়: চরফ্যাশন ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (সিআইআইটি) রতন প্লাজার তৃতীয় তলা, সদর রোড, চরফ্যাশন, ভোলা।
ঢাকা অফিস: রায়পুরা হাউস (২য় তলা), ৫/এ, আউটার সার্কুলার রোড, পশ্চিম মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭ / যোগাযোগ : ০১৭১৬-২৩৭১০৮, ০১৭৬২-৪৪৭২২৮, ইমেইল : chattalanews@gmail.com