ফেসবুকে মানুষের বেশি সময় চলে যাচ্ছে : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, আজকাল বইগুলো অনলাইনে চলে গেছে। ফেসবুকে মানুষের সময় চলে যাচ্ছে বেশি। ফেসবুকে অবশ্যই থাকতে হবে। তবে অধিকাংশ ইউজার ফেসবুকে প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রয়োজনীয় সময় বেশি কাটায়। এটা না করে কবি-সাহিত্যিকের বই পড়লে জীবনে অনেক কাজে আসবে। ফেসবুকে আমরা একজনের সমালোচনা আরেকজন করছি। এগুলো বাস্তব জীবনে কোনো কাজে আসবে না।

শুক্রবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী বিভাগীয় বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় এ বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বইমেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত রচনা, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বইমেলায় বিজয়ী স্টল মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, জীবনকে জানা ও বোঝার জন্য বেশি বেশি বই পড়তে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত যাই থাকুক, আমাদেরকে পড়াশোনা করতে হবে। আমাদের ঐতিহ্যকে কোনোভাবে ভোলা যাবে না। বিভিন্ন কবি-সাহিত্যিকের বই পড়ে অনেক কিছুই আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তারা কবিতা লিখেছেন বলেই আমরা জীবনের অনেক কিছু তাদের কবিতার মধ্য দিয়ে জেনেছি। যতটুকু সম্ভব আমাদেরকে বই পড়ার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কঠিন। জীবনকে তৈরি করতে হলে আমাদের অনেকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে, জানতে হবে, বুঝতে হবে। তাহলে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারব।

তিনি বলেন, যুগ পরিবর্তন হবে। নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমরা সময়ের সঙ্গে তালমিলিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলামের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল-মামুন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা জান্নাতের সঞ্চালনায় বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার, চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি নুরেআলম মিনা, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোজাফফর আহমদ ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম সরোয়ার কামাল।