বাংলাদেশের দুই বন্দর ব্যবহার করবে ভারত

ভারত থেকে ভারতে পণ্য সরবরাহ করতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করবে ভারত। এ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া সোমবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় চুক্তির খসড়াটি মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে উপস্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে দুপুর ২টায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম চুক্তির খসড়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারত আমাদের নিকটতম বন্ধুপ্রতীম দেশ। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারত তাদের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করবে। এজন্য ‘অমৎববসবহঃ ড়হ ঃযব ঁংব ড়ভ ঈযধঃঃড়মৎধস ধহফ গড়হমষধ চড়ৎঃ ভড়ৎ গড়াবসবহঃ ড়ভ এড়ড়ফং ঃড় ধহফ ভৎড়স ওহফরধ নবঃবিবহ ঃযব চবড়ঢ়ষব’ং জবঢ়ঁনষরপ ড়ভ ইধহমষধফবংয ধহফ জবঢ়ঁনষরপ ড়ভ ওহফরধ’ শীর্ষক চুক্তির খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে।

সচিব বলেন, ‘ভারত মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে তাদের উৎপাদিত পণ্য স্থলপথে ভারতের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে সরবরাহ করতে আটটি রুট ব্যবহার করতে পারবে।’

ভারতের পণ্য পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের সড়ক অবকাঠামো খাত উপযোগী কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শফিউল আলম বলেন, ‘এগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা খতিয়ে দেখবেন।’

বাংলাদেশের বন্দর ও সড়ক ব্যবহারের জন্য ভারত বাংলাদেশকে কী পরিমাণ মাশুল ও শুল্ক দেবে তার হার এ চুক্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে কি না-জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘চুক্তিতে এ বিষয়ে যদিও বিস্তারিত কিছু নেই। তারপরও আমাদের শুল্ক বিভাগ এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি ও চুক্তির বিষয়াদি পর্যালোচনা করে শুল্ক নির্ধারণ করবে।’

কতদিনের জন্য এ চুক্তি বলবৎ থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘প্রথমে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য এ চুক্তি করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এ চুক্তি আরো পাঁচ বছরের জন্য নবায়ন করা হবে। তবে কোনো পক্ষ এ চুক্তি বাতিল করতে চাইলে ছয় মাসের নোটিশে তা বাতিল করতে পারবে।’