মামুন হত্যা : ছাত্রলীগ-যুবলীগের পাঁচজনকে আসামি করে মামলা

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ছাত্রলীগ নেতা মামুন আল রশীদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে মামুনের বড় ভাই মো. ইয়াছিন বাদি হয়ে কর্ণফুলী থানায় এ মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলো-ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মী আলী নুর, আজম, আলী আজগর, ওমর ও শাহনূর।

কর্ণফুলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান ইমাম বলেন, ছাত্রলীগ নেতা মামুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ভাই বাদি হয়ে কর্ণফুলী থানায় এ মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখনও ঘটনার মোটিভ বের করা যায়নি। মাদক সংক্রান্ত নাকি আধিপত্য বিস্তারের কারণে এ ঘটনা ঘটছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

তবে নিহতের পরিবারের দাবি, মামুন মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় এবং এ নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ার প্রস্তুতি নেয়ায় তাকে খুন করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর স্থানীয় শাহ মীরপুর মাদরাসা মাঠে ছাত্রলীগ নেতা মামুনের জানাজা সম্পন্ন হয়। এর আগে দুপুর দুইটায় মামুনের লাশ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হলে সেখানে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর গ্রামের জমাদর পাড়ায় বাড়ির পাশে রাস্তায় ৭/৮ জন দুর্বৃত্ত এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে ছাত্রলীগ নেতা মামুন আল রশিদ (২৪) ও বড় উঠান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আজিজকে। সন্ত্রাসীরা মামুনের দেহ থেকে ডান হাত আলাদা করে ফেলে। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দু’জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন।