চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ!

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদের (৪৮) বিরুদ্ধে চার সন্তানের এক জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে নিজের কার্যালয়ের দুই তলায় সেলাই মেশিন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ ঘটনার বিচার দাবি করে বুধবার বিকেলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা মিছিল করেছেন। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেছেন,‘সবই সাজানো নাটক’।

নির্যাতিতার ভগ্নিপতি জানান, তার শ্যালিকা (২৮) প্রশিক্ষণ এবং সেলাই মেশিন নেওয়ার জন্য কয়েকদিন আগে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে যান। চেয়ারম্যান ওই নারীকে ভোটার আইডি কার্ডসহ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় আসার জন্য জানিয়ে দেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার বেলা আড়াইটায় ওই নারী আসলে চেয়ারম্যান তাকে অফিসের দোতলায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। কয়েক মিনিট পর চেয়ারম্যান দোতলায় উঠে তাকে ধর্ষণ করেন। মহিলার চিৎকার শুনে আশপাশের কয়েকজন ওখানে যান। তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। ঘটনা নিবিরভাবে তদন্ত করবেন তারা।

বিশ্বপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ জানান, সবই সাজানো নাটক, দুপুরেই কয়েকজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের কক্ষে ঢুকতে দেখেছেন তিনি। দুপুরে নেপালের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে খাওয়া শেষ করে অফিস থেকে বেরিয়ে ভাদেরটেকে একটি সালিসে চলে আসেন তিনি। এরপরের কোন ঘটনাই তারা জানা নেই। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।